বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় ইরফানকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা দুপুর পৌনে ১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ইরফানের সহকর্মী আব্দুল কাদের জানান, ইরফান নবাবপুরে একটি ইলেকট্রিক দোকানে কাজ করতেন। তার বাসা ডেমরায় এলাকায়। সকালে ডেমরা থেকে গ্রীনবাংলা বাসে করে নবাবপুরে আসছিলেন।
.png)
আরো পড়ুন: বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় সাততলা ভবনে আগুন
তিনি আরো জানান, ঘটনাস্থল থেকে জানতে পারি বাসের কন্ডাক্টরের সঙ্গে ভাড়া নিয়ে তর্কাতর্কি হয় ইরফানের। একপর্যায়ে বাসের কন্ডাক্টর তাকে বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। এতে গুরুতর আহত হন ইরফান। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে তিনি মারা যান।
মৃত্যুর খবর পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে আসেন ইরফানের স্বজনরা। ইরফানের বড় ভাই মো. রায়হান জানান, ডেমরা সারুলিয়া বড় ভাঙ্গা এলাকায় তাদের নিজেদের বাড়ি। ইরফান এক মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে সেখানেই থাকতেন। বাবার নাম মৃত আলমগীর হোসেন। তিন ভাই এক বোনের মধ্যে ইরফান তৃতীয়।
আরো পড়ুন: রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আরো ৬৪ জন আটক
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ওয়ারী থানার পিএসআই আরাফাত হোসেন জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারি গ্রীনবাংলা নামের একটি বাসে করে আসতেছিলেন ইরফান নামের ঐ ব্যক্তি। জয় কালী মন্দির মোড়ে আসলে ভাড়া নিয়ে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে কন্ডাক্টর মোজাম্মেল তাকে ধাক্কা দিয়ে বাস থেকে ফেলে দেন। পরে স্থানীয়রা মোজাম্মেলকে আটক করেন। পরে কৌশলে পালিয়ে যান মোজাম্মেল। ইরফান ঢাকা মেডিকেলে মারা গেছেন।
তিনি আরো বলেন, গ্রীনবাংলা বাস জব্দ করতে কাজ শুরু করেছে পুলিশ। ইরফানের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল মর্গে রাখা হয়েছে।