বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা, বিকেল সাড়ে ৪টা ও সন্ধ্যা ৭টার দিকে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
রূপনগরে নিহত হৃদয়ের বাবা আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার ছেলে বাসার পাশেই একটি নির্মাণাধীন ভবনের ছয়তলায় উঠে ভবন থেকে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যায়। পরে ওখান থেকে পঙ্গু হাসপাতালে নিলে, অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হলে দুপুর ১২টার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
.png)
পল্টনের শাওন মাদবারকে হাসপাতালে নিয়ে আসা দোকান মালিক ইয়াছিন বলেন, পল্টনে আমার একটি এসি মেরামতের দোকান রয়েছে। বিকেলের দিকে পল্টনের রূপায়ন সেন্টার নামের একটি ভবনের ১৪তলায় এসি মেরামতের কাজ করার সময় সে নিচে পড়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হলে চিকিৎসক বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শাওন মাদবার ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মো. আব্দুস সাত্তারের ছেলে। বর্তমানে পল্টন এলাকায় থাকতেন।
অন্যদিকে যাত্রাবাড়ীতে একটি ভবনে টাইলসের কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে শাওন নামের এক টাইলস মিস্ত্রির মৃত্যু হয়।
শাওনের সহকর্মী আলম বলেন, যাত্রাবাড়ীর আবেদিন টাওয়ারে টাইলসের কাজ করার সময় বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে যায় শাওন। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হলে চিকিৎসক সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া এসব বিষয়ে জানান, রূপনগর, পল্টন ও যাত্রাবাড়ীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ও ভবন থেকে পড়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।