শনিবার বেলা ১২ টায় ঢামেকে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় ঢামেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক এসব কথা জানান।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক টিটো মিঞা, কলেজের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. দেবেশ চন্দ্র তালুকদার, হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আশরাফুল আলমসহ কর্মকর্তারা।
.png)
পরিচালক বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল দেশের একটি স্বনামধন্য সর্ববৃহৎ চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠান। এখানে বছরের ৩৬৫ দিনই ২৪ ঘণ্টা জরুরি ও আন্তঃবিভাগে সেবাদান করা হচ্ছে। দেশের জনসাধারণের সুচিকিৎসার জন্য প্রতিষ্ঠানটি এখন একটি আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক।
আরো পড়ুন> মৃত্যুশূন্য চট্টগ্রামে কমল শনাক্তের হার
তিনি বলেন, দেশের জনসাধারণের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্যখাতে বিভিন্ন ঐতিহাসিক সাফল্যের ধারাবাহিকতা রক্ষায় দেশের এই বৃহত্তম ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল একটি বিশ্বাস ও আস্থার প্রতীক।
পরিচালক বলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী কোভিড-১৯ মহামারিতে ডেডিকেডেট কোভিড হাসপাতাল হিসেবে ঢামেক হাসপাতাল অতি দক্ষতার সঙ্গে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবাদান করে আসছে।
এছাড়া করোনা প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কোভিড ভ্যাকসিন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ২৮ জানুয়ারি টিকা কার্যক্রম এক বছর পূর্ণ করেছে। এই এক বছরে এখানে পাঁচ লাখের বেশি মানুষকে টিকাদান করেছি। এটি যেকোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য মাইলফলক। বর্তমানে দিনে পাঁচ হাজার টিকা দেওয়া হচ্ছে।
সভায় গত এক বছরের চিকিৎসা কার্যক্রম তুলে ধরা হয়।