ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

ডিএনসিসিতে অভিযানে এক লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯:২০, ৬ এপ্রিল ২০২২
ডিএনসিসিতে অভিযানে এক লাখ টাকা জরিমানা
ডিএনসিসির অভিযান। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) বিভিন্ন অঞ্চলে অভিযানে খাবারের দোকানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, নিত্যপণ্যের দোকানে মূল্য তালিকা না থাকা, নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যবিধি না মানায় প্রায় ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। 

বুধবার ডিএনসিসির  অঞ্চল ৫ এর আওতাধীন ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কারওয়ান বাজার এলাকায় উচ্ছেদ ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বীর আহমেদ এ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে বিভিন্ন ধারায় ১০টি মামলায় মোট ৪১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

Advertisement

এছাড়া অঞ্চল-৪ (মিরপুর-১০) ১৪নং ওয়ার্ড এলাকায় মো. আবেদ আলী আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযানে প্রায় ৩৭টি ভবন, স্থাপনা, জলাশয়, রেস্টুরেন্ট ও দোকানপাট  পরিদর্শন করা হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ ও ভেজাল খাদ্যদ্রব্যের বিরুদ্ধে ২টি হোটেলকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪৩ ধারায় ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। করোনাভাইরাস জনিত রোগ (কোভিড-১৯) এর বিস্তার রোধকল্পে জনসাধারণকে সতর্ক করাসহ প্রায় ১০০টি মাক্স বিতরণ করা হয়েছে।

অঞ্চল-৯ এর আওতাধীন নতুন বাজার, ভাটার এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী জিয়াউল বাসেত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় রাস্তার উপরে থাকা ১০টি ফলের দোকান অপসারণ করা হয়। বাজার মনিটরিং করে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অঞ্চল-২ এর আওতাধীন (ওয়ার্ড নং ৩) মিরপুর মডেল থানা এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। মো. জিয়াউর রহমান, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। ভেজাল খাদ্যদ্রব্যের বিরুদ্ধে হোটেল, রেস্তোরায় মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করা হয়। ৪টি মামলায় মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অঞ্চল-১, ওয়ার্ড নং-১ এর সেক্টর ৬ ও ৪ এ আজমপুর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। মো. জুলকার নায়ন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট (অঞ্চল-১) মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে দোকান মালিকরা দ্রব্যমূল্যের তালিকা মোতাবেক বিক্রি হচ্ছে কিনা ও স্বাস্থবিধি সঠিকভাবে মানা হচ্ছে কিনা- তা তদারকি করা এবং জনসাধারনের মাঝে প্রায় ৫০টি মাস্ক বিতরণ করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে জরিমানা করার মতো পরিস্থিতির উদ্ভব হয়নি।

এছাড়াও ওয়ার্ড-১৭ এর খিলক্ষেত উত্তর নামাপাড়া এলাকায় ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাপস শীল উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে প্রায় ৩০০মিটার রাস্তা দখলমুক্ত করা হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!