এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। এরপর তদন্ত কর্মকর্তা ওয়ারী থানার এসআই মো. সুজন জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত নার্গিস আক্তারের জবানবন্দি রেকর্ড করে। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জুলাই রাতে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান নার্গিস আক্তার। পরে তাকে আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ওয়ারী থানায় মামলা হয়।
.png)
উল্লেখ্য, নার্গিস আক্তারের স্বামী নাইট গার্ডের কাজ করেন। তারা ধোলাইখাল এলাকায় থাকেন। তাদের এক মেয়ে রয়েছে। তার স্বামী গোপনে আরেকটি বিয়ে করছেন।এ কারণে রেগে এ কাণ্ড ঘটিয়েছেন তিনি।