পরে তাকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়। পরে দুপুরের দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
নিহত নারীর ছেলে রনি বলেন, আমার মা সকালে বারডেম হাসপাতালে ডাক্তার দেখানোর জন্য কেরানীগঞ্জ থেকে ঢাকায় আসেন। পরে গুলিস্তানে সড়ক পারাপারের সময় দুই বাসের চাপায় পড়ে গুরুতর আহত হন। দুপুরে তিনি মারা যান। আমাদের বাড়ি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোন্ডা এলাকায়।
.png)
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি পল্টন থানাকে অবগত করা হয়েছে।