ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

ঢাকায় বায়ুদূষণ ঠেকাতে যথাযথ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন: এফবিসিসিআই সভাপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৬:৩৪, ৩১ অক্টোবর ২০২২
ঢাকায় বায়ুদূষণ ঠেকাতে যথাযথ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন: এফবিসিসিআই সভাপতি
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি জসিম উদ্দীন বলেছেন, ঢাকা শহরের বায়ুদূষণের জন্য প্রধানত দায়ী আশপাশের ইটভাটা ও উন্মুক্ত নির্মাণকাজ। এ দূষণ ঠেকাতে প্রয়োজন যথাযথ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা।

সোমবার রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে বায়ু ও প্লাস্টিক দূষণ নিয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ইটভাটার কারণে ঢাকা শহরের আকাশে দূষণ ছড়িয়ে যাচ্ছে। আরেকটি সমস্যা হলো উন্মুক্তভাবে নির্মাণকাজ করা। বিদেশে কিন্তু উন্মুক্তভাবে বালি, মাটি রাখা কিংবা সরবরাহ করা যায় না। কিন্তু আমাদের দেশে ঐ ব্যবস্থা নেই।

Advertisement

কংক্রিট ইটের ব্যবহার বৃদ্ধি ওপর জোর দিয়ে জসিম উদ্দীন বলেন, কংক্রিট ইটে খরচ ও দূষণের পরিমাণ কমে যাবে। সেজন্য কংক্রিট ইটের কাঁচামালের বিষয়ে আলাদা করে এনবিআর বিশেষ সুবিধা দিতে পারে। বর্তমানে ৬৯ শতাংশ শুল্ক রয়েছে। আমাদের প্রস্তাব ছিল কাঁচামাল হিসেবে ৩ এমএম পাথরে ৫ শতাংশ শুল্ক করা। তাহলে ৫ থেকে ৭ টাকায় কংক্রিট ইট পাওয়া যাবে, যা সাধারণ ইটের চেয়ে ভালো। এটাকে প্রমোট করা দরকার। এখন যারা কংক্রিটের ইট বানাচ্ছে দাম বেশি পড়ে। তাই জনপ্রিয় হয় না। জনপ্রিয় পণ্য হওয়ার জন্য দাম বড় ভূমিকা রাখে। সেজন্য উৎপাদন খরচ কমাতেই হবে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করে এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট বলেন, আমাদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গ্রাম পর্যন্ত নিয়ে যেতে হবে। না নিতে পারলে দূষণ আটকানো যাবে না। শহরের বাইরে দেখা যায় রাস্তার পাশে বর্জ্যের স্তূপ। ওখানে তো বর্জ্য রাখার কথা নয়। আর একটি হচ্ছে পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা। খাল-বিল বন্ধ করে রাস্তা করে দেওয়া হয়েছে। এক সময় ব্রিজ ছিল, রাস্তার সুবিধার জন্য কালভার্ট করে চিরদিনের জন্য নৌ-চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এটাই বাস্তবতা। কাউকে দোষারোপ করে লাভ নেই। পার্টনারশিপের ভিত্তিতে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, যানবাহনের দূষণ কমাতে হলে আমাদের ইলেকট্রিক বাহনের দিকে যেতে হবে। কিন্তু বর্তমানে ইলেকট্রিক কারের রেজিস্ট্রেশন বন্ধ রেখেছে বিআরটিএ।  কাস্টমসে এ বিষয়ে আলাদা এসএস কোডও নেই। আসলে যাদের যেখানে কাজ করার কথা, তারা সেখানে সেভাবে কাজ করছেন না। আমাদের  সবচেয়ে বড় কাজ  হলো মানুষকে সচেতন করা।

সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম। সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন সেমিনার পরিচালনা করেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গবেষক সৈয়দ ইউসুফ সাদাত।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!