ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

উত্তরায় সাংবাদিক হাসানের ওপর দুর্বৃত্তদের হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০:৫৫, ১২ নভেম্বর ২০২২
উত্তরায় সাংবাদিক হাসানের ওপর দুর্বৃত্তদের হামলা
হামলার শিকার সাংবাদিক হাসান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

রাজধানীর উত্তরায় সাংবাদিক নুরুল আমিন হাসানের ওপর হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টর সংলগ্ন খালপাড় এলাকার রূপায়ন সিটির বিপরীত পাশে শুক্রবার (১১ নভেম্বর) রাত ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত দুই দফায় এ হামলা চালানো হয়।

ভুক্তভোগী নুরুল আমিন হাসান দৈনিক আজকের পত্রিকায় কর্মরত। হামলার পরপরই উত্তরায় বসবাসরত সাংবাদিকরা হাসানকে সেখান থেকে উদ্ধার করে গাজীপুরের টঙ্গীর শহীদ আসান উল্লাহ্‌ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।

জানা গেছে, উত্তরা প্রেস ক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রকৃত সংবাদকর্মীদের সেখানে মেম্বার করার জন্য সবসময় অনড় ছিলেন নুরুল আমিন হাসান। কিন্তু প্রেস ক্লাবের একটি কুচক্রী মহল পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ, হলমার্ক কেলেঙ্কারির আসামিকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়কারীদের মেম্বার করে। যা নিয়েও প্রতিবাদ করেন হাসান। এরই প্রেক্ষিতে বুধবার (৯ নভেম্বর) উত্তরা প্রেস ক্লাব নামের একটি মেসেঞ্জার গ্রুপে তুরাগে মিরাজ শিকদার ও দক্ষিণখানের তাসলিমা তমা হাসানকে নিয়ে উসকানিমূলক মন্তব্য করেন। এ বিষয়ে হাসান মেসেঞ্জারে ফোন করে তাসলিমাকে জিজ্ঞাসা করেন। তখন তাসলিমা সাংবাদিক হাসানকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন এবং পেটানোর হুমকি ধমকি দেন। পরবর্তীতে শুক্রবার (১১ নভেম্বর) সাংবাদিক হাসান উত্তরার খালপাড়ের ‘উত্তরা প্রেস ক্লাব’ প্রাঙ্গণে গেলে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। 

Advertisement

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিক নুরুল আমিন হাসান বলেন, উত্তরা প্রেস ক্লাবের প্রাঙ্গণে যাওয়ার পরই পরিস্থিতি ঘোলাটে দেখতে পাই। তখন আমি চলে আসার চেষ্টা করি। কিন্তু তাসলিমা তমা ও মিরাজ শিকদারসহ তাদের সহযোগীরা বাধা দেন। একপর্যায়ে আমার ওপর প্রথমে তুরাগের মিরাজ শিকদার ও দলিপাড়ার রাসেল খান হামলা চালান। তখন আমি প্রেস ক্লাবে ঢুকে আশ্রয় চাই। সেইসঙ্গে আমাকে উদ্ধারের জন্য র‍্যাব-পুলিশের কাছে সহযোগিতা চাই। কিন্তু পুলিশ আসার আগেই ক্লাবের ভেতরে ঢুকে দ্বিতীয় দফায় তাসলিমা তমার সহযোগীরা আমার ওপর হামলা চালান। একপর্যায়ে রবিউল ইসলাম রাজু আমাকে ধরে রাখেন এবং পেছন থেকে কয়েকজন এলোপাথাড়ি মারধর করেন।

এ বিষয়ে তুরাগ থানার ওসি মওদুদ হাওলাদার বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছিল। বিষয়টি শুনেছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!