সোমবার দুপুর ১টার দিকে মো. আব্দুল্লাহ’র (১৯) মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
আব্দুল্লাহর ভাই নাজিউল্লাহ বলেন, ফকিরাপুলে এম এস ইউ বি এল লেমিনেশন প্রেসে কাজ করতো আবদুল্লাহ। সকালে রুমের দরজা বন্ধ পাওয়া যায়। পরে অনেক ডাকাডাকি করলেও দরজা খোলেনি। পরে দরজা ভেঙে দেখা যায় আব্দুল্লাহ ফ্যানের সঙ্গে গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় ঝুলে আছে। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে পাঠায়।
.png)
তিনি আরো বলেন, আমাদের বাড়ি পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর থানার কুমরিথানা গ্রামে। তার সঙ্গে আমাদের পরিবারের অন্য কোনো সদস্যদের কখনো মনোমালিন্য বা ঝগড়া হয়নি। ঠিক কী কারণে এমনটা করেছে বুঝতে পারছি না। কারখানায় কারো সঙ্গে কোনো ধরনের ঝামেলা হয়েছে কি না তা, এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।
মতিঝিল থানার এসআই শহিদুল ইসলাম বলেন, পরিবার ও প্রেসের লোকদের সঙ্গে কথা বলে আত্মহত্যার কারণ জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।