ক্লান্ত-ক্ষুধার্ত ইজতেমাফেরত মুসল্লিদের জন্য ভুনা খিচুড়ির আয়োজন
ইজতেমার প্রথম পর্ব শেষে পায়ে হেঁটে ফেরা ক্লান্ত মুসল্লিদের জন্য ভুনা খিচুড়ির আয়োজন করেছে রাজধানীবাসী। রাজধানী নর্দ্দা এলাকার কোকাকোলা মোড়ে টেবিল-চেয়ার বসিয়ে এ আয়োজন করা হয়েছে।
রোববার দুপুরে দেখা গেছে, ৩-৪টি টেবিল সাজিয়ে মুসল্লিদের খাওয়ানো হচ্ছে। টেবিল ঘিরে অনেক মুসল্লি দাঁড়িয়ে আছেন। টেবিল খালি হলেই তারা বসে যাচ্ছেন। কোনো হট্টগোল ছাড়াই সুশৃঙ্খল ও সুন্দরভাবে এ আয়োজন চলছে। খাওয়া শেষে প্লেট ধুয়ে আবার পুনরায় টেবিলে দেওয়া, খাবার পরিবেশন ও ক্লান্ত মুসল্লিদের আহার গ্রহণ- সব মিলিয়ে চমৎকার এক ভ্রাতৃত্ববোধ ও হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। মুসল্লিদের সেবায় একের পর এক কাজ করে যাচ্ছেন আয়োজকরা।
আয়োজক জামান ঢালী ও আখতার হোসেন জানান, ইজতেমার আখেরি মোনাজাত শেষে অধিকাংশ মুসল্লি যানবাহন না পেয়ে হেঁটে বাড়ি ফেরার সময় ক্লান্ত হন। সেসব মুসল্লিদের জন্য এ আয়োজন করেছেন কোকাকোলা মোড়ের স্থানীয়রা। গত ৪-৫ বছর যাবৎ এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। এবার বড় বড় সাতটি ডেকোরেটরের হাড়িতে খিচুড়ি রান্না হয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত শেষ না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত মুসল্লিদের খাবার চলতে থাকবে।
.png)
ময়মনসিংহের বাসিন্দা আব্দুল লতিফ বলেন, আমরা সাতজন ইজতেমায় গিয়েছিলাম। আখেরি মোনাজাত শেষে বর্তমান ঠিকানা রামপুরা বউবাজার এলাকায় পায়ে হেঁটে ফিরছি। প্রচণ্ড খিদা ছিল পেটে। পথের মধ্যে দুপুরের খাওয়া দেখতে পেলাম। অনেক বিনয়ীভাবে আমাদের ডেকে টেবিলে বসিয়ে খাওয়ালেন। খুব ভালো লাগল।
রোববার সকাল ১০টায় বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাত শুরু হয়। সকাল ১০টা ২০ মিনিট পর্যন্ত চলে মোনাজাত। এই পর্বের মোনাজাতে মহান আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করে মুসলিম উম্মাহর শান্তি-ঐক্য কামনা করেন মুসল্লিরা।