গ্রেফতার দুজন হলেন- রেজা মো. সাইমুন ওরফে তরুণ ও সাদমান সাকিব। এর মধ্যে গ্রেফতার সাইমুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৭টি মামলা রয়েছে।
যেভাবে চোর হলেন সাইমুন
পুলিশ জানায়, রেজা মো. সাইমুন ওরফে তরুণ ছিলেন মেধাবী শিক্ষার্থী। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ১১-১২ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। কিন্তু স্নাতক শেষ করতে পারেননি। ২০১৫ সালে ৪র্থ বর্ষে থাকাকালীন বহিষ্কার হওয়ার পর পড়ালেখা ছেড়ে দেন। এরপর কিছুদিন একটি গানের দলে ছিলেন, বিভিন্ন স্টেজ শো করতেন। কিন্তু পরে মোটরসাইকেল চুরিতে জড়িয়ে পড়েন। ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে মুন্সীগঞ্জে বিক্রি করেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৭টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি মামলায় তার বিরুদ্ধে সাজাও হয়। গ্রেফতার অপর আসামি সাকিব আর্কিটেকচারাল ভিজুয়ালাইজেশন বিষয়ে ঢাকার একটি প্রাইভেট ইন্সস্টিটিউট থেকে ২০১৫ সালে ডিপ্লোমা করেন।
.png)
ইউটিউব দেখে শেখেন চুরিবিদ্যা
মিরপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, তরুণ মোটরসাইকেল চুরি শেখেন নিজে নিজে! এক্ষেত্রে তিনি সহযোগিতা নেন ইউটিউবের। মোটরসাইকেলের তালা কিভাবে ভাঙে সেটা শিখে প্রথমে নিজের মোটরসাইকেলে প্রয়োগ করেন। এরপর শুরু করেন চুরি। প্রথম প্রথম ধরা না পড়লেও পরে বেশ কয়েকবার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন। সবশেষ ২০২১ সালে গ্রেফতার হয়ে ১৫ মাস জেল খেটে দুই মাস আগে জামিন পান। গতকাল রাতে আবারো মোটরসাইকেল চুরি করতে গেলে জনতার হাতে ধরা পড়েন। এরপর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।