সোমবার সকাল ৬টা থেকে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। এর আগে, রোববার রাতে ওয়াটার বাসডুবির পর প্রায় ছয় ঘণ্টা উদ্ধার কার্যক্রম চলে। এ সময় ১০ জনকে উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৬ জন জীবিত ও ৪ জন মৃত।
পরে রাত ২টা ৪০ মিনিটে উদ্ধার কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ করা হয়।
.png)
নৌ-পুলিশের এসপি (ঢাকা বিভাগ) গৌতম কুমার বিশ্বাস জানান, রোববার রাত সোয়া ৮টার দিকে রাজধানীর শ্যামবাজার থেকে কেরাণীগঞ্জের তেলেরঘাটের বুড়িগঙ্গা নদীর অংশে বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় অর্ধশতাধিক যাত্রীসহ ওয়াটার বাসটি ডুবে যায়। এ সময় অনেকে সাঁতরে তীরে পৌঁছাতে পারলেও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ হন।
তিনি আরো জানান, নৌ-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারীরা চার যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছেন। এছাড়া জীবিত উদ্ধার হওয়া ৬ জনকে মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।