চায়ের দোকানের মালিক ইউসুফ বলেন, ফাহাদ আমার চায়ের দোকানে কাজ করত। আমার বাসাতেই থাকত। রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাসার ছাদে গেলে অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে আহত হয়। পরে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ফাহাদ নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার ভাওরকোট গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।
.png)
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, শিশু ফাহাদের মরদেহটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার কারণে তার শরীরের কয়েক জায়গায় দগ্ধ হয়েছে। বিষয়টি চকবাজার থানাকে জানানো হয়েছে।