বুধবার মরদেহগুলো ঢামেক হাসপাতাল মর্গ থেকে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের দাফনসেবা অফিসার কামরুল আহমেদ বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ঐ তিন শিশুসহ ৮টি মরদেহ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে এক নবজাতক, বাকি সাতজন পুরুষ। আমরা ঐ মরদেহগুলো মোহাম্মদপুর রায়ের বাজার কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হবে।
.png)
গত ২৩ সেপ্টেম্বর মহাখালী ফ্লাইওভারের নিচের রেললাইনে কমলাপুর থেকে ছেড়ে যাওয়া দেওয়ানগঞ্জগামী কমিউটার ট্রেনে কাটা পড়ে ঐ তিন শিশু।
রেলওয়ের বিমানবন্দর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই সুনীল চন্দ্র সূত্রধর বলেন, এতদিন চেষ্টা করেও ঐ তিন শিশুর পরিচয় পাওয়া যায়নি। এ কারণে তাদের মরদেহগুলো আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।