বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাদের আটক করা হয়।
এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নভোএয়ারের একটি ফ্লাইটে কক্সবাজার থেকে ঢাকা আসে নারী-শিশুসহ ৬ রোহিঙ্গা। তারা একই পরিবারের সদস্য। তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে ইয়াবা বহনের কথা অস্বীকার করেন। পরে ঐ পরিবারের ৪ সদস্যকে বিমানবন্দরের সংলগ্ন একটি প্যাথলজি সেন্টারে ডাক্তারি পরীক্ষায় শিশু মো. রুবেল, তার ফুফু আছিয়া বেগম এবং চাচি জোহুরা বেগমের পাকস্থলীতে অস্বাভাবিক বস্তুর উপস্থিতি পাওয়া যায়। এরপর তারা ইয়াবা বহনের কথা স্বীকার করেন।
.png)
তিনি আরো জানান, আছিয়া বেগমের স্বামী আলী আহমদ ইয়াবা বহনের মূল পরিকল্পনাকারী। পরে রাতেই তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে ডাক্তারের তত্ত্বাবধায়নে ১৩০টি ইয়াবার প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটে ৬ হাজার ২৭৫টি ইয়াবা পাওয়া যায়।
আটককৃতরা কক্সবাজার টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা। তাদের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে বলেও জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউল হক।