মো. রাসেল পেশায় একজন চালক। ঘটনার পরপরই তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক রাত সাড়ে ১২টায় মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের সহকর্মী মো. মিলন জানান, আমরা একই কোম্পানির গাড়ির ড্রাইভার হিসেবে চাকরি করি। পাশাপাশি রুমে থাকি। গত রাতে তার রুমে গিয়ে দেখি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে ঝুলে আছে। পরে আমরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
.png)
তিনি জানান, গত ৩-৪ মাস আগে সে বিয়ে করে। গতকাল মোবাইল ফোনে তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তার ওপর অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
তিনি আরো জানান, নিহতের বাড়ি শরীয়তপুর জেলা ডামুড্যা উপজেলায়। বর্তমানে গুলশানের নিকেতনে থাকতেন। নিকেতনের একটি কোম্পানিতে প্রাইভেটকারের চালক ছিলেন।