নিহত শাহ জালাল উদ্দিন কক্সবাজারের উখিয়া থানার পূর্ব গোয়ালিয়া গ্রামের আবুল কাশেমের সন্তান। তিনি দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের কাস্টমস কোয়ার্টারে থাকতেন।
শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মেহেরুনের বাবা ইঞ্জিনিয়ার মোক্তার হোসেন হেলালী ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে গিয়ে মেয়ে, জামাতা ও নাতনির মরদেহ শনাক্ত করে।
.png)
মোক্তার হোসেন হেলালী বলেন, আমার মেয়ের জামাই দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের পোর্টে কাস্টমস ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিল। দুদিনের ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়ি কক্সবাজার যাওয়ার জন্য সে ঢাকায় আসে এবং গ্রিন লাইন বাসের টিকিটও কাটে। ঢাকায় আসার পর পুরো ফ্যামিলি নিয়ে রেস্টুরেন্টে খেতে যায়। এরপর তারা আর ফিরে আসেনি।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া তিনজনের মরদেহ শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শনিবার তাদের মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
বেইলি রোডের আগুনে নিহতদের মধ্যে শুক্রবার রাত পর্যন্ত ৪০ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে ঢামেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। নারী-শিশুসহ আরো বেশ কয়েকজনের মরদেহ মর্গে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে রাজধানীর বেইলি রোডের ঐ ৭ তলা ভবনে ভয়াবহ আগুন লাগে। মুহূর্তেই পুরো ভবনে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।