শনিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা রুমমেট ডা. রেজা বলেন, মালিবাগের একটি ফ্ল্যাটে আমরা পাশাপাশি কক্ষে থাকতাম। রায়হান চীনের একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে লেখাপড়া করত। করোনার সময়ে সে দেশে চলে আসে। পরবর্তীতে অনলাইনে সে ক্লাস করত।
.png)
তিনি আরো বলেন, কয়েকদিন আগে মেডিকেল কর্তৃপক্ষ তাকে সশরীরে ঐ মেডিকেলে হাজির হতে বললে ডিপ্রেশনে পড়ে যায় রায়হান। পরিবারের অসচ্ছলতার কারণে তার পক্ষে চীনে যাওয়া সম্ভব ছিল না।
তাই সে কয়েক মাস ধরে রাজধানীর একটি বেসরকারি মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার জন্য চেষ্টা করছিল। কিন্তু এতেও অনেক টাকা লাগবে বলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। সন্ধ্যার দিকে অনেক ডাকাডাকি করেও তার কোনো সাড়া না পাওয়ায় দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখি তাকে।
জানা গেছে, রায়হান বরিশালের গৌরনদী থানার হাসনাবাদ গ্রামের নওশাদ হোসেনের ছেলে। বর্তমানে ৪৭৯ নং ডিআইটি মালিবাগের ১৪তলা ভবনের ৮/বি ফ্লাটে ভাড়া থাকতেন।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।