রোববার বিকেলে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
মিজানুর রহমানকে হাসপাতালে নিয়ে আসা গুলিস্তান পীর ইয়ামেনি মার্কেট মসজিদের মুসল্লি মো. ইউসুফ জানান, আসরের নামাজ পড়তে ঐ মসজিদে গেছিলেন মিজানুর। মসজিদে প্রবেশ করেই তিনি অন্য মুসল্লিদের জানিয়েছিলেন তার শরীর খারাপ লাগছে। তখন মুসল্লিরা তার মাথায় পানি ঢালেন। কিছুটা সুস্থবোধ করলে তিনি জায়ামাতে নামাজ আদায়ে দাঁড়ান। পরে মাথা ঘুরে পড়ে যান। হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
.png)
মিজানুরের ছোট ভাই মো. হানিফ বলেন, তাদের বাড়ি কুমিল্লার বরুরা থানার আনাইসকুটা গ্রামে। পরিবার নিয়ে পুরানা পল্টন লেনের একটি বাসায় থাকতেন মিজানুর।
অপরদিকে, বংশাল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহজালাল জানান, ফুলবাড়িয়া বিআরটিসি বাস কাউন্টারে কমিউনিটি পুলিশ হিসেবে চাকরি করতেন বজলু। বিকেল ৪টার দিকে ডিউটিরত অবস্থায় রাস্তায় মাথা ঘুরে পড়ে যান। তখন সহকর্মীরা উদ্ধার করে ঢামেকে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বজলু মিয়ার বাড়ি রাজবাড়ীর কালুখালিতে। বর্তমানে থাকতেন সদরঘাটে।