ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

পুলিশ কনস্টেবল মনিরুলকে গুলির পর যা বলেছিলেন কাউসার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৫৩, ৯ জুন ২০২৪
পুলিশ কনস্টেবল মনিরুলকে গুলির পর যা বলেছিলেন কাউসার
অভিযুক্ত কনস্টেবল কাউসার। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর গুলশান থানার বারিধারার ডিপ্লোমেটিক জোন এলাকায় ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটির দায়িত্ব থাকা পুলিশ কনস্টেবল মনিরুলকে হত্যা করে একই দায়িত্বে থাকা আরেক পুলিশ কনস্টেবল কাউসার। 

এ ঘটনায় সাজ্জাদ হোসেন নামে এক পথচারীও গুলিবিদ্ধ হন। তিনি জাপান দূতাবাসের গাড়িচালক বলে জানা গেছে। সাজ্জাদ হোসেন ইউনাইটেড হসপিটালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জানা গেছে, মনিরুলকে গুলি করে ফিলিস্তিনি দূতাবাসের প্রধান ফটকের সামনে এসে দাঁড়ায় কাউসার। তখন প্রধান ফটকের দুই থেকে তিনজন নিরাপত্তা রক্ষী ছিল। তারা গুলি শব্দ শুনতে পেলেও তখন ধারণা করতে পারিনি যে মনিরুলকে গুলি করে এসেছে কাউসার। 

Advertisement

তখন কাউসারকে ফিলিস্তিনি দূতাবাসের নিরাপত্তা রক্ষীরা জিজ্ঞেস করেন- মনিরুল কেন রাস্তায় পড়ে রয়েছে। তখন কাউসার তাকে উত্তরে বলে, ‘শালা নাটক করতাছে এমনি রাস্তায় পড়ে আছে।’

এবিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ফিলিস্তিন দূতাবাসের এক নিরাপত্তা রক্ষী বলেন, ঘটনার সময় আমরা দূতাবাসের ভেতরে ছিলাম। হঠাৎ করে রাত ১১ টা ৫০ মিনিটের দিকে ৭ থেকে ৮ রাউন্ড গুলি শব্দ শুনে আমরা বাহিরে আসি। বাইরে আসার পর কাউসার কে দেখি ফিলিস্তিনি দূতাবাসের প্রধান ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। আর একটু দূরেই পড়ে রয়েছে মনিরুলের মরদেহ। 

তিনি বলেন, তখন আমরা কাউসারকে জিজ্ঞেস করি কি হয়েছে। তখন সে বলে শালা (মনিরুল) নাটক করতেছে এমনি মাটিতে পড়ে রয়েছে। এ কথা বলে কাউসার দূতাবাসের বিপরীত পাশে রোডে চলে যায়। এরই মধ্যে সবাই বুঝে উঠে যে কাউসার মনিরুলকে গুলি করেছে। এর পরপরই ঘটনাস্থলে থাকা নিরাপত্তা রক্ষীরা কাউসারকে আটক করে।

এদিকে এ ঘটনার জেরে ডিপ্লোমেটিক জোনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুরো এলাকা নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ছেয়ে ফেলেছে পুলিশ। বারিধারা এলাকায় এ মুহূর্তে যে কেউ প্রবেশ করতে গেলে তল্লাশি করা হচ্ছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেডআর
ট্যাগ: পুলিশ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!