বুধবার দক্ষিণ সিটির ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডের সানারপাড় এলাকার ডগাইর খাল পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন তিনি।
মেয়র তাপস বলেন, দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে আমরা খালগুলো উদ্ধার, সংস্কার, সীমানা নির্ধারণ, গভীরতা বৃদ্ধির কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। আমরা মান্ডা, জিরানি, শ্যামপুর ও কালুনগর খালের যে প্রকল্প সরকার থেকে পেয়েছি, সে খালগুলোতে এখন পূর্নরূপে সীমানা নির্ধারণ, হাঁটার পথ, গভীরতা বৃদ্ধি, নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টির কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।
.png)
তিনি বলেন, কর্পোরেশনের নতুন এলাকাসহ কুতুবখালি এলাকা থেকে শুরু করে ঢাকার বৃহৎ এলাকার বিপুল পরিমাণ পানি এই ডগাইর খাল দিয়ে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে নিষ্কাশিত হয়। এখানেও দখলদারেরা যত্রতত্র অবকাঠামো নির্মাণ করে খাল সংকীর্ণ ও খালের গভীরতা হ্রাস করেছে। আমরা এসব দখলমুক্ত করে খালের সীমানা নির্ধারণ করবো ও খালের গভীরতা তিনগুন বৃদ্ধি করবো।
ঢাকা শহরকে জলাবদ্ধতা মুক্ত করতে দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণ করার কথা জানিয়ে মেয়র তাপস বলেন, গত ৯ জুলাই যে জলাবদ্ধতা হয়েছে তা আমরা পাম্প দিয়ে পানি নিষ্কাশনের মাধ্যমে ঢাকা শহরকে ১২ ঘণ্টায় জলাবদ্ধতা মুক্ত করতে পেরেছি। কিন্তু এটি দীর্ঘস্থায়ী না। আমাদের আরো বিনিয়োগ করতে হবে। সব খালের অন্তর্জাল সৃষ্টি করতে হবে যেন নিরবিচ্ছিন্নভাবে পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা যায়। আমাদের যে আধারগুলো আছে সেগুলোকে পুনরুদ্ধার করে পুনঃখনন করতে হবে, আয়তন তিন গুণ বৃদ্ধি করতে হবে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, অঞ্চল-৮ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সুজাউদ্দৌলা, সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মুনিরুজ্জামান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. খায়রুল বাকের, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।