অপরদিকে হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ করছেন আবরারের গ্রামবাসীরা।
মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে অ্যাম্বুলেন্স যোগে নিজ বাড়িতে পৌঁছায় আবরারের মরদেহ। সেখানে সকাল সাড়ে ৬টায় দ্বিতীয় জানাজা হয়। পরে তার মরদেহ নেয়া হয় গ্রামের বাড়ি কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউপির রায়ডাঙ্গা এলাকায়।
.png)
এর আগে গত রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বুয়েটের শের-ই-বাংলা হলের একতলা থেকে দোতলায় ওঠার সিঁড়ির মাঝ থেকে আবরারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আবরার বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী ছিলেন।
আবরার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে সোমবার সন্ধ্যার পর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহত আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ্।
ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম