শুক্রবার সন্ধ্যায় রংপুরে র্যাব কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় র্যাব।
র্যাব জানায়, জবানবন্দিতে চুরির উদ্দেশেই আসামিরা এ হামলা চালিয়েছে বলে স্বীকার করেছে। এ বিষয়ে আরো তদন্ত করার পরই মূল ঘটনা জানা যাবে। আসাদুল ও নবীরুল দু’জনই রঙ মিস্ত্রি।
.png)
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ইউএনওর ওপর হামলার ঘটনায় আটক পাঁচজনের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুইজনকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। বাকি তিনজনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তারা হলেন- আসাদুল, সান্টু ও নবীরুল।
এদিকে, গুরুতর আহত ওয়াহিদা খানমের জ্ঞান ফিরেছে। তার অবস্থা এখন স্থিতিশীল রয়েছে। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন।
গত বুধবার গভীর রাতে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমের সরকারি বাসভবনে ভেন্টিলেটর ভেঙে প্রবেশ করে তার ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। ভারী ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে। এ সময় মেয়েকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে ওয়াহিদার বাবা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখকেও জখম করে দুর্বৃত্তরা। গুরুতর আহত ইউএনও ও তার বাবাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখান থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ইউএনও ওয়াহিদাকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।