গুরুতর অসুস্থ শিশুটিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার ভোরে উপজেলার সাঁতারপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পালিয়ে গেছে অভিযুক্ত আলী হোসেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
পুলিশ জানায়, রোববার রাতে নিজের ঘরে বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘুমিয়েছিল ছোট্ট শিশুটি। ঘরের সিঁদ কেটে ঘুমন্ত শিশুটিকে তুলে নেয় একই গ্রামের দাদারবয়সী আলী হোসেন। সোমবার ভোরে ঘুম থেকে উঠে বসতঘরের তিন দিকে সিঁদ কাটা দেখতে পান। এ সময় শিশুটিকে বিছানায় পাওয়া যায়নি। খোঁজাখুঁজির পর বাড়ির পাশে একটি ধানক্ষেতে মৃত প্রায় অবস্থায় পাওয়া যায় শিশুটিকে।
.png)
মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। এমন ঘটনায় হতবিহ্বল শিশুটির মা-বাবাসহ স্বজনরা।
কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মো. হিবরুল বারী জানান, শিশুটি বর্তমানে হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় এখনও সে আশঙ্কামুক্ত নয়।
করিমগঞ্জ থানার ওসি মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পরপরই অভিযুক্তকে ধরার চেষ্টা করছি। এ ঘটনায় জড়িতের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে ধর্ষণ করেছে বলে জানা গেছে।
অভিযুক্ত আলী হোসেন আরো বেশ কয়েকটি ধর্ষণে জড়িত বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।