ধর্ষণের ঘটনায় এমসি কলেজ পরিদর্শনের পর এসব তথ্য জানতে পেরেছে পুলিশ।
শাহপরান থানার ওসি কাইয়ুম চৌধুরী জানান, সাইফুর রহমান এমসি কলেজ হোস্টেল সুপারের বাংলোতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে অবস্থান করছেন। তার দখলে থাকা ওই বাংলো থেকেই পাইপগানসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে একটি মামলাও হয়েছে।
.png)
এরআগে, দক্ষিণ সুরমার নবদম্পতি শুক্রবার বিকেলে প্রাইভেটকারে করে এমসি কলেজে বেড়াতে যান। বিকেলে এমসি কলেজ কয়েক যুবক স্বামী-স্ত্রীকে ধরে ছাত্রাবাসে নিয়ে প্রথমে মারধর করেন। পরে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণ করেন। তারা প্রত্যেকেই ছাত্রাবাসে থাকেন। তারা টিলাগড় কেন্দ্রীক রণজিৎ গ্রুপের নেতাকর্মী বলে জানা গেছে।
শুক্রবার এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে এ গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন এমসি কলেজের ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, মাহফুজুর রহমান মাছুম, এম সাইফুর রহমান, অর্জুন, রাজন আহমদ, রবিউল এবং তারেক আহমদ।
সাইফুর রহমানের গ্রামের বাড়ি বালাগঞ্জে, রবিউলের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলায়, মাহফুজুর রহমান মাছুমের বাড়ি সিলেট সদর উপজেলায়, অর্জুনের বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জে, রনির বাড়ি হবিগঞ্জে এবং তারেক সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বাসিন্দা।