মিন্নির পক্ষে আইনজীবী মাক্কিয়া ফাতেমা ইসলাম মঙ্গলবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আপিল দাখিল করেন।
এই আইনজীবী জানান, মিন্নির দিন কাটছে বিষণ্ণ। সারাক্ষণ বিষণ্ণ মনে বসে থাকেন। তাকে অনেক হতাশাগ্রস্তও মনে হচ্ছে। বেশিরভাগ সময় তিনি চুপচাপ থাকছেন। মিন্নি আপাতত কারাগারে থেকে পড়াশোনা করে সময় কাটাতে চান।
.png)
মামলার আপিল আবেদন প্রসঙ্গে মিন্নির অন্যতম আইনজীবী মাক্কিয়া ফাতেমা ইসলাম বলেন, আমি ফাইলিং আইনজীবী হিসেবে এই মামলায় আপিল আবেদন দাখিল করেছি। আপিল আবেদনটি মোট ৪৫১ পৃষ্ঠার। আমরা আবেদনে বিচারিক আদালতের রায়ের অসঙ্গতিগুলো তুলে ধরেছি। এছাড়াও মামলা খালাসের পক্ষে সর্বমোট ২১টি যুক্তি উপস্থাপন করেছি।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাবার সঙ্গে বরগুনা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে গিয়ে ডিগ্রি পরীক্ষায় অংশ নেন আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। সেসময়ও মিন্নি জানিয়েছিলেন, তিনি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চান।
রিফাত হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সূত্রপাত ২০১৯ সালের ২৬ জুন। সেদিন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনের সড়কে রিফাত শরীফকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে জখম করে নয়ন বন্ডের গড়া কিশোর গ্যাং বন্ড গ্রুপ। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এরপর একই বছরের ২ জুলাই মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড ক্রসফায়ারে নিহত হন। পরে রিফাত হত্যা মামলায় প্রধান সাক্ষী থেকে মিন্নিকে আসামি দেখানো হয়। ওই মামলায় মিন্নি হাইকোর্ট থেকে জামিনে থাকলেও বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।