নিহত ইউনুস একই এলাকার বাসিন্দা। তিনি পেশায় কৃষক।
জানা গেছে, বুধবার বিকালে নারিকেলগাছে ওঠার পর সেখানেই অসুস্থ হয়ে পরে ইউনুস নামে একজন কৃষক। ফায়ার সার্ভিসে ফোন করলে তারা ঘটনাস্থলে এসে ওই ব্যক্তিকে গাছ থেকে মই দিয়ে নিচে নামার সময় পড়ে মৃত্যু হয়। এ সময় দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ তুলে বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী ফায়ারকর্মীদের ধাওয়া করলে তারা আত্মরক্ষার জন্য দৌড়ে পালার চেষ্টা করলেও গণধোলাইর মধ্য পড়ে।
.png)
বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসীর সঙ্গে সংঘর্ষে ফায়ার টিম লিডার রুহুল আমিনসহ ছয় ফায়ারকর্মী আহত হন। আহত অন্য ফায়ারকর্মীরা হলেন— রবিউল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, মো. হাসান, মো. সুমন ও আসাদুল হক।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসপি মো. জাহাঙ্গীর মল্লিক উপস্থিত হলে সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। গুরুতর আহত ফায়ার লিডার রুহুল আমীনকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
স্থানীয়রা জানান, বেলা ৩টার দিকে ইউনুস নিজের গাছ থেকে নারিকেল পাড়তে গাছে উঠে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। তার চিৎকারে গ্রামবাসী ফায়ার সার্ভিসে ফোন দিলে ফায়ারকর্মীরা এসে ইউনুসকে উদ্ধারের জন্য গাছে মই লাগিয়ে ইউনুসকে তার গামছা দিয়ে বেঁধে নামাতে গেলে গামছা ছিঁড়ে নিচে পড়ে গিয়ে তার মৃত্যু হয়। এতে গ্রামবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ফায়ারম্যান ওপর চড়াও হয়।
বরগুনা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের প্রধান মো. জাকির হোসেন বলেন, আমি পটুয়াখালী থেকে এসে ঘটনাটি শুনেছি।গুরুতর আহত ফায়ার লিডার রুহুল আমীনকে চিকিৎসার জন্য বরিশাল পাঠানো হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসার দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, মৃত ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে আমাদের সমন্বয় হয়েছে।
বরগুনা থানার ওসি কেএম তারিকুল ইসলাম বলেন, নিহত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।