অপরদিকে ওই নারী ৩ সন্তানের মা। তিন বছর ধরে ফোনে কথার মাধ্যমে প্রেম ও পরে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন বকুলের সঙ্গে।
অনশন করা ওই নারী বলেন, বকুলের কথায় আমি আমার স্বামীর (আবজালের) উপার্জনের টাকা পয়সা এবং আমার নিজের গহনাসহ সবকিছু বকুলকে দিয়ে আসছি। গত সাতদিন আগে বকুলের কথা মত আমি আমার স্বামীর বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে আমার মোবাইল ফোনটি বন্ধ করে রাজশাহী শহরের এক হোটেলে ও খালার বাড়ীতে ছিলাম। বকুল আমাকে বিয়ে না করলে তার বাড়ীর সামনে আম গাছে গলায় দড়ি দিয়ে আমি আত্মহত্যা করব।
.png)
বিয়ের দাবিতে অনশনরত নারীর মা ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে বলতে থাকে, এই বকুল-ই আমার মেয়ের সঙ্গে প্রতিদিন মোবাইলে কথা বলত। সাতদিন আমার মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে বকুলকে আমি জানালে, সে আমার মেয়েকে বের করে দেয়। এখন আমার মেয়ের সব শেষ করেছে বকুল।
এদিকে বকুলের স্ত্রী আরজুমান বলছেন, আমার স্বামী ভুল করতেই পারে। মহিলাটি আমার বাড়িতে আসলো ক্যান?
এ বিষয়ে মনিগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার মুকুল হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়েছেন এবং ঘটনা সত্য। আর মেয়েটির বাবাকে ফোনে জানিয়েছে। ছেলের বাড়ির লোকজন এখন বাড়িতে নেই, ফাঁকা বাড়ি। স্থানীয়ভাবে যদি ঘটনার মীমাংসা হয় ভাল, তা না হলে আইনের আশ্রয় নিতে বলেছি মেয়েটির বাবাকে। পরবর্তীতে অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার কি হয় দেখা যাবে।
বিষয়টি নিয়ে বাঘা থানার ওসি সাজ্জদ হোসেন বলেন, আমি লোক মারফত শুনেছি। উভয়েরই সংসার আছে, সামাজিকভাবে সমাধান হলেই ভালো হয়। তবে এরইমধ্যে আমি মনিগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেছি। সামাজিকভাবে তিনি সমাধান না করতে পারলে আমরা আইনগত পদক্ষেপে যাবো।