বিষয়টি নিশ্চিত করে বাবুল আক্তারের আইনজীবী ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বলেন, পাঁচলাইশ থানায় বাবুল আক্তারের করা মামলার সব নথি জুডিশিয়াল হেফাজতে রাখার আদেশ চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। শুনানি শেষে আদালতে দেয়া জবানবন্দি ও মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনসহ সব নথি জুডিশিয়াল হেফাজতে রাখার আদেশ দিয়েছেন বিচারক।
অপরদিকে, অন্য একটি আবেদনে দুপুরে বাবুল আক্তারকে আসামি করার মামলার সহি মুহুরি নকল প্রদানের আদেশ দিয়েছেন মহানগর হাকিম সারওয়ার জাহানের আদালত।
.png)
২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরের জিইসি মোড়ের কাছে ওআর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে গুলি ও ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে খুন হন তৎকালীন এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। এ ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেন বাবুল আক্তার। মামলাটি তদন্ত করছিল নগর ডিবি পুলিশ। পরে গত বছরের জানুয়ারিতে ‘আদালতের নির্দেশে’ মামলার তদন্তভার পায় পিবিআই।
এরপরই ঘুরতে থাকে মামলার গতিপ্রকৃতি। পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে আসতে থাকে স্ত্রী হত্যার সঙ্গে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততার নানা দিক। ১২ মে দুপুরে বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন। মামলায় বাবুল আক্তার ছাড়াও আরো সাতজনকে আসামি করা হয়।