মৃতরা হলেন মনতলা গ্রামের হাসিম উদ্দিনের ছেলে হাসান মিয়া এবং চরমান্দালিয়া গ্রামের মিন্টু মিয়ার ছেলে মোবারক।
জানা যায়, চরমান্দালিয়া গ্রামের লালু মিয়ার বাড়িতে ল্যাট্রিনের সেপটিক ট্যাংকের কাজ চলছিল। শুক্রবার দুপুরে সেপটিক ট্যাংকের শাঁটারের বাঁশ ও কাঠ খুলতে নির্মাণ শ্রমিক মিনহাজুল হাসান মিয়া ভেতরে নামেন। কিছুক্ষণ পর তার কথা শোনা যাচ্ছিল না। পরে বাড়ির মালিক লালু মিয়ার প্রতিবেশী মোবারক এবং সজিবকে ডেকে আনেন। হাসানের খোঁজ করতে প্রথমে ভেতরে নামেন মোবারক। কয়েক মিনিট পর তারও কোনো খোঁজ না পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে উপস্থিত সজিব সেখানে নামেন। কিছুক্ষণ পর তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে বাড়ির লোকজন ডাক-চিৎকার শুরু করেন। পরে স্থানীয়রা সেপটিক ট্যাংক ভেঙে তিনজনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেন।
.png)
হাসান ও মোবারককে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত সজিবকে বাজিতপুর জহিরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মনোহরদী থানার ওসি মোহাম্মদ আনিচুর রহমান বলেন, সেপটিক ট্যাংকের মুখ বন্ধ থাকায় ভেতরে বিষাক্ত গ্যাসের সৃষ্টি হয়েছিল। গ্যাসের বিষক্রিয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে।