পদ্মা-মেঘনায় অভিযান, ২২ জেলে আটক
মা ইলিশ রক্ষায় ১০ তম দিনে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় অভিযান চালিয়ে ২২ জেলেকে আটক করেছে চাঁদপুর নৌ থানা পুলিশ
বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দিনব্যাপি অভিযানে সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউপির শিলারচর, লগ্মিমারা চর, মিনি কক্সবাজার, রওনাগোয়ালসহ পদ্মা-মেঘনা নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটকরা হলেন চাঁদপুর মতলব উত্তর উপজেলার মো. শাহজাহান সরদার, আবু বক্কর, জাহাঙ্গীর প্রধানিয়া, সুজন প্রধানিয়া, জহির পন্ডিত, শিমুল বেপারী, মো. মমিন আলী গাজী, শহরের নিশি বিল্ডিং এলাকার আলামিন মোল্লা, মো. রাকিব হোসেন, শরীয়তপুর জেলার মো. রবিউল হোসেন, মজিবুর রহমান গাজী, মো. আশ্বাদ খান, মো. সাইফুল ইসলাম, নছর গাজী, হারুন গাজী, আব্দুল কাদের ছৈয়াল, নাসির গাজী, মো. মাইনুদ্দিন, মো. হৃদয়, হযরত আলী গাজী, আনোয়ার হোসেন, আবুল কালাম।
.png)
জানা যায়, চাঁদপুর নৌ পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামানের নির্দেশে নৌ থানার ওসি মো. মুজাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে চাঁদপুরের পদ্মা মেঘনার নৌ সীমানায় ১০ তম দিনে অভিযান চালিয়ে ১ কোটি ৪০ লাখ মিটার কারেন্ট জালসহ ২০ জেলেকে আটক করা হয়। এছাড়া ৫টি জেলে নৌকা ও ৮০ কেজি ইলিশ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ১২টি নৌকা নদীতে ডুবিয়ে দেয়া হয়। আটক ইলিশ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। আর জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
চাঁদপুর নৌ থানার ওসি মো. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে চাঁদপুরের পদ্মা মেঘনায় জেলেরা যাতে নদীতে মাছ শিকার করতে না পারে, তার জন্য নৌ থানা পুলিশ কাজ করছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আটকদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন ইলিশ প্রজনন ক্ষেত্রে ইলিশসহ সব ধরনের মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করেছে সরকার।