খোঁজে না পেয়ে কিশোরীর পরিবার থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করে। সেই পেক্ষিতে পুলিশ দুজনকে উদ্ধার করে কিশোরীকে পরিবারের জিম্মায় ও কিশোরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
কিশোরী তার পরিবারের জিম্মায় থেকে মুক্ত হয়ে বিয়ের দাবি নিয়ে গত ক’দিন ধরেই অবস্থান নিয়েছে প্রেমিকের বাবার বাড়িতে। এ ঘটনায় প্রেমিকের বাবা নিরাপত্তার জন্য বুধবার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর ইউপির তারাপাশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
.png)
জানা গেছে, তারাপাশা গ্রামের সেলিম মিয়ার কিশোর পুত্র ও একই গ্রামের সোহরাব উদ্দিনের স্কুল পড়ুয়া কন্যার মধ্যে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে উঠে।
তাদের বিয়েতে বাধ সাধে বয়স ও দুই পরিবার। এক পর্যায়ে ৬ আগস্ট তারা বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে কিশোরীর পরিবার প্রথমে নান্দাইল থানায় একটি সাধারণ ডায়রি ও পরে ২৩ আগস্ট কিশোর, তার স্বজন এবং বন্ধুদের অভিযুক্ত করে অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
মামলার ২০দিন পর পুলিশ অপহৃত ও অপহরণকারীকে উদ্ধার করে আদালতে নিয়ে যায়। আদালত কিশোরীর জবানবন্দি রেকর্ডভুক্ত করে পরিবারের জিম্মায় দেন এবং অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠায়।
এদিকে প্রেমিক কারাগারে থাকলেও গত তিন দিন ধরে প্রেমিকা বিয়ের দাবি করে প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে হাজির হয়। এ ঘটনার পর কিশোরের বাবা বুধবার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
ইউপি সদস্য বাদল মিয়া বলেন, মেয়েটি বিয়ের দাবি নিয়ে এখনো ছেলের বাবার বাড়িতে অবস্থান করছে। কিন্তু ছেলে আছে কারাগারে। কোনো পক্ষই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। যেহেতু বিষয়টি আদালতে গেছে সিদ্ধান্ত আদালত থেকেই আসবে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রুবেল মিয়া বলেন, ওই কিশোরী প্রেমিকার বাড়িতে অবস্থান নিয়েছে বিষয়টা জেনেছি। বুধবার ছেলের বাবা এই বিষয়ে একটি অভিযোগ দিয়েছে। আমরা তাদের উদ্ধার করে আদালতে দিয়েছি। এখন কি হলো তা পুলিশের দেখার বিষয় নয়। যা সিদ্ধান্ত আসে তা আদালত থেকেই আসবে।