বুধবার সকালে নগরীর খুলশী থানায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন ওসি সন্তোষ চাকমা। গ্রেফতার আলমগীর হোসেনের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায়।
ঢাকার সবুজবাগে কদমতলা হক সোসাইটিতে মোকলেছ মুন্সীর বাসায় ভাড়া থাকতেন আলমগীর হোসেন। গত ৩ ডিসেম্বর রাতে সবুজবাগের মান্ডা খালের পাড়ে মোকলেছ মুন্সীর ছেলে জহির মুন্সীকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয়। মোকলেছ সবুজবাগ থানায় নাজমুল ও আলমগীরকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
.png)
পুলিশের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, মোকলেছের কাছ থেকে নাজমুল সাত হাজার টাকা ধার নিয়েছিল। সেই টাকা পরিশোধ না করে সম্প্রতি নাজমুল বাসা ছেড়ে চলে যান এবং বোনের বাসায় গিয়ে ওঠে। জহির মুন্সী বিভিন্ন সময় তার কাছে পাওনা টাকা ফেরত চান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে নাজমুল ও আলমগীর মিলে জহিরকে খুনের পরিকল্পনা করেন। পরে গত ৩ ডিসেম্বর রাতে জহিরকে মান্ডা খালের পাড়ে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয়। এ সময় স্থানীয় লোকজন নাজমুলকে ধরে ফেলেন। তবে আলমগীর পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
সেই আলমগীরকে নিয়ে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী থানায় আসেন তার দুলাভাই আশরাফুল ইসলাম বাবু। খুলশী থানার ওসি সন্তোষ চাকমা বলেন, আশরাফুল তার শ্যালক আলমগীরকে একাই অনেকটা ধরে-বেঁধে থানায় নিয়ে আসেন। থানায় ঢুকে চিৎকার করে বলতে থাকেন- ও একটা খুনি, ওকে গ্রেফতার করুন। তিনি জানান- ঢাকার সবুজবাগ থানা এলাকায় একজনকে খুন করে আলমগীর চট্টগ্রামে বোন জান্নাত আরার বাসায় এসে আশ্রয় নেন। তবে খুনের বিষয়টি দিনি তাদের জানাননি।
গ্রেফতার আলমগীরকে সবুজবাগ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান ওসি সন্তোষ চাকমা।