এ ঘটনায় নাটঘর ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলে গুলিবিদ্ধ এরশাদুল হক এরশাদকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে আনার পর তাকে উন্নত চিকিৎসারর জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। এরশাদুল হক চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন বলে জানা গেছে।
নাটঘর ইউপি পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম জানান, স্থানীয় কুড়িঘর বাজারের পাশে ওয়াজ মাহফিলে গিয়েছিল এরশাদ ও বাদলসহ আরো কয়েকজন। সেখান থেকে মোটরসাইকেলে করে তারা বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে দুর্বৃত্তরা এরশাদ ও বাদলকে লক্ষ্য করে গুলি করে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই বাদল মারা যান। পরে গুরুতর আহত এরশাদকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হলে এরশাদের অবস্থা খারাপ হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়। ঢাকা নেয়ার পথে তিনি মারা যান।
.png)
সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মোহাম্মদ আবু হায়দার আল-রাজী ওসমানী জানান, এরশাদ নামের এক ব্যক্তির অবস্থা খুবই আশঙ্কাকাজনক। গলায় ও বাম কানের নিচে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ধরার চেষ্টা চলছে।