তিনি জানান, শুক্রবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কারাগারের বন্দি থাকা কয়েদি (সাজাপ্রাপ্ত) ও হাজতিদের করোনা টিকার প্রথম ডোজ (ফাইজার) দেওয়া হয়। ঐদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রম চলে। একমাস পর একইভাবে তাদেরকে টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। এরমধ্যে কেউ জামিনে বের হয়ে আসলে টিকা কার্ড দেখালেই তারা টিকার দ্বিতীয় ডোজ পাবেন।
ডা. সাজ্জাদ-উল-হক আরো জানান, জেলার সব নাগরিক-বাসিন্দাকে করোনা ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হবে। এরই অংশ হিসেবে কারাবন্দিদেরও ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।
.png)