টাঙ্গাইলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল-মদ ও গাঁজাসহ আটক ৫
টাঙ্গাইলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল, চোলাই মদ ও গাঁজাসহ পাঁচজনকে আটক করেছে র্যাব। সোমবার রাতে উপজেলা সদরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
এ সময় ১০ বস্তা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল, ৯৮ লিটার চোলাই মদ ও ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১২ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন।
.png)
প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, সোমবার রাত সোয়া ১২টার দিকে সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী বাজারের সোনা মিয়ার মার্কেটে চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঐ মার্কেটের ব্যবসায়ী মো. মুকুল মণ্ডল এর গুদাম ঘরে পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা ৩০ কেজি ওজনের সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১০ বস্তা চাল পাওয়া যায়। এ অপরাধে মো. মুকুল মণ্ডলকে আটক করা হয়। আটককৃত মো. মুকুল মণ্ডল বড়বেলতা গ্রামের মৃত সিদ্দিক মণ্ডলের ছেলে।
ভোরে পৌর শহরের কান্দাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯৮ লিটার চোলাই মদসহ শংকর রবি দাস ও সুশান্ত রবিদাস নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। আটককৃত শংকর রবি দাস কান্দাপাড়ার প্রয়াত সহতি রবিদাস এর ছেলে ও সুশান্ত রবিদাস প্রয়াত কৃষ্ণ রবিদাস এর ছেলে। পরবর্তীতে রাবনা বাইপাসে এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজাসহ মো. রুবেল ও মো. সুমন মিয়া নামে দুই যুবককে আটক করে র্যাব সদস্যরা। আটককৃত মো. রুবেল ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার হরিপুর এলাকার মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে ও মো. সুমন মিয়া কসবা উপজেলা সাগরতলা গ্রামের শাহজাহান মিয়ার ছেলে।
র্যাব কমান্ডার আরো জানান, আটককৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে জানায় নাম মাত্র ১০ টাকা মূল্যে দরিদ্রদের জন্যে সরবরাহকৃত চাল বেশি মুনাফা লাভের আশায় অবৈধভাবে সংগ্রহ করে মজুত করে বেশি দামে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন লোকজনের কাছে বিক্রি করে আসছিল। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে চোলাই মদ ও গাঁজা অবৈধভাবে সংগ্রহ করে মাদকসেবীদের কাছে বিক্রি করে আসছিল। আটককৃতদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় ৩টি মামলা হয়েছে।