একইদিন একই উপজেলার ত্রিমোহনী এলাকায় সকাল সাড়ে ৬টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় নসিমন চালক ইসলাম সরদার (৪৫) নিহত হয়েছেন। তাদের লাশ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি সাব্বিরুল আলম।
অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় নিহত নাসিমন চালক ইসলাম সরদার কুষ্টিয়া সদর উপজেলার জুগিয়া কদমতলা এলাকার মৃত আনছার সরদারের ছেলে। নিহত রিকশাচালক কাশেম সর্দার একই উপজেলার আইলচারা এলাকার মৃত আহমেদ মণ্ডলের ছেলে।
.png)
আরো পড়ুন >>> মেয়েকে নিয়ে গোয়াল ঘরে থাকা মকবুলের জন্য নির্মিত হচ্ছে বাড়ি
রিকশাচালক নিহতের ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতার গণধোলাইয়ে আহত ট্রাকচালক জীবন (৩৫) খাজানগর এলাকার আসলাম হোসেনের ছেলে। তিনি খাজানগর এলাকার সালাম রাইচ মিলে ট্রাকচালক হিসেবে চাকরি করেন। ঐ ট্রাক চাপায় রিকশাচালক কাশেম নিহত হন।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে লাহিনী বটতলা মোড়ে রাজবাড়ীগামী দ্রুতগাতির একটি ট্রাক রিকশাচালক কাশেমকে চাপা দেয়। এ সময় কাশেম রাস্তার পাশে পার্কিং করা অবস্থায় রিকশার ওপর বসে ছিলেন। ট্রাকচাপায় ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা ট্রাকচালককে গণধোলাই দেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
আরো পড়ুন >>> ঘুরতে যাওয়া নারীকে দলবেঁধে ধর্ষণ, মিলল সিসিটিভির ফুটেজ
এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে সাড়ে ৬টার দিকে অ্যাম্বুল্যান্সের ধাক্কায় ইসলাম সর্দার নামে এক নসিমন চালক নিহত হন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সদর উপজেলার কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়কে বারখাদা ইউপির ত্রিমোহনী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি সাব্বিরুল আলম বলেন, রিকশাচালক কাশেম ও নসিমন চালক ইসলাম সরদারের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়টি হাইওয়ে পুলিশ দেখছেন। তারা বিস্তারিত জানাতে পারবেন।
কুষ্টিয়া হাইওয়ে পুলিশের সার্জেন্ট মো. ওয়াহিদ বলেন, আমরা লাহিনী বটতলা এলাকায় এসে ট্রাক পায়নি। গণধোলাইয়ের শিকার ট্রাকচালকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত দুইজনের লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। ট্রাক ও অ্যাম্বুলেন্সটি আটকের চেষ্টা চলছে।