পরিবার জানায়, গ্রামের বাড়িতে একটি অনুষ্ঠানে ঢাকা থেকে স্বপ্নীল, প্রত্যয় আর মা লক্ষ্মী রানী অভিযান ১০ লঞ্চের ডেকে শুক্রবার বামনায় আসছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের সময় দগ্ধ হয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিহত হয় স্বপ্নীল।
আরো পড়ুন: কক্সবাজারে নারী পর্যটকদের জন্য তৈরি হচ্ছে ‘বিশেষ এলাকা’
.png)
স্বপ্নীলের মা লক্ষ্মী রানী জানান, বড় ছেলে প্রস্রাব করতে বাথরুমে যাওয়ার সময় ছোট ছেলে প্রত্যয়ও পেছন পেছন কিছু দূরে যায়। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে ছোট ছেলে তার কাছে চলে আসে। আগুন সমগ্র লঞ্চে ছড়িয়ে পড়ার আগ পর্যন্ত তিনি বড় ছেলের জন্য লঞ্চে অপেক্ষা করছিলেন। আগুনের লেলিহান শিখা বেড়ে গেলে তিনি ছোট ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেন।
তিনি আরো জানান, তীরে উঠে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও স্বপ্নীলকে তিনি পাননি। পরে ঝালকাঠি হাসপাতালের মর্গে তার মরদেহ শনাক্ত করেন। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসা হয় স্বপ্নীলের মরদেহ। পরে রাত ১২টার দিকে স্বপ্নীলকে বাড়ির শ্মশানে সমাহিত করা হয়।