নিহত টিটু ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের বড়চন্দ্রাইল গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে। তিনি ধামরাই হার্ডিঞ্জ সরকারি স্কুল এন্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ছিল।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাশেদুল পরীক্ষার ফলাফল দেখার পর জানতে পারেন তিনি পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে ফেল করেছে। এরপরই তিনি নিজ ঘরে গিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
.png)
আরো পড়ুন: এসএসসির ফল পেয়ে ছাত্রীর আত্মহত্যা
নিহতের সহপাঠী মো. আকাশ জানান, রাশেদুল আর আমি একসঙ্গে পড়াশোনা করতাম। আজ সকালে পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর দেখতে পাই পদার্থবিজ্ঞানে ফেল করেছে। এরপর সে চুপিসারে ঘরে গিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
চাচা হেলাল উদ্দিন বলেন, আমি ও রাশেদুলের আব্বা ইসলামপুর দোকান করি। বাড়িতে শুধু রাশেদুলের মা ও ছোট বোন জান্নাতুল থাকে। বেলা ১২টার দিকে রাশেদুলের মা ছোট মেয়ে জান্নাতুলকে ঘরে রেখে কিস্তির টাকা দিতে যায়। এই সময়ে ঘরের ভেতরে দরজা আটকে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে সে।
আরো পড়ুন: ১৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি
রাশেদুলের ছোট বোন জান্নতুল আক্তার বলে, ভাই পাশের ঘর আটকিয়ে কী যেন করছিল। পরে আমি ভাইকে ডাকি, কিন্তু ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে আমার ফুফুকে ডাক দেই। পরে ফুফু এসে ভাইকে ডেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ডেকে দেখি রাশেদুল গলায় ফাঁস দিয়েছে। তখন দ্রুত রাশেদুলকে নামিয়ে ধামরাই সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ধামরাই থানার এসআই মো. সাইদুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে দেখি রাশেদুল মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। লাশের সুরতহাল করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।