নিহত সাইফুল ইসলামের বোন লুৎফুন্নেছা শেফু বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি মাসুক আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলায় বেশ কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
.png)
নিহত সাইফুল ইসলাম মাধবপুর উপজেলার মনতলা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। সাইফুল দীর্ঘদিন ধরে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ল্যাব টেকনোলজিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) দৌস মোহাম্মদ জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উৎঘাটন ও দোষীদের আইনের আওতায় আনতে মাঠে কাজ করছে পুলিশ, পিবিআই, সিআইডিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
আরো পড়ুন: হ্যান্ডকাপসহ পালিয়ে গেল আসামি, দুই পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুর ২টার দিকে শহরের টাউন হল এলাকায় সাইফুলকে প্রকাশ্যে দিবালোকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে একদল দুর্বৃত্ত। পরে তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এরপর থেকেই এ ঘটনায় দোষীদের আইনের আওতায় এনে ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন, প্রতিবাদ সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান ও কর্মবিরতিসহ নানান কর্মসূচি পালন করেছেন তার সহপাঠীরা।
এতে একাত্মতা পোষণ করেছেন চিকিৎসক, নার্সসহ অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এছাড়াও ৪৮ ঘণ্টার ভেতরে দোষীদের গ্রেফতার করতে না পারলে পুরো সিলেট বিভাগে স্বাস্থ্যসেবা বন্ধের হুঁশিয়ারি দেন সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক হিমাংশু লাল দাশ। শুধু সিলেট বিভাগেই নয় নিহত সাইফুলের হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে দেশজুড়ে পালন করা হচ্ছে প্রতিবাদ কর্মসূচি।