এছাড়া ৪ লাখ ৪০ হাজার ১৮২ জন মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে বইয়ের চাহিদা ছিল ৫৮ লাখ ৬ হাজার ৯৪২টি।
এর মধ্যে বই পাওয়া গেছে ৩৫ লাখের উপরে। যা শতকরা হিসেবে প্রায় ৬০ভাগ। তবে বাকি বইগুলো এ সপ্তাহের মধ্যে পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী শিক্ষা কর্তৃপক্ষ। এরপরও বছরের প্রথম দিনেই নতুন বই পেয়ে খুশি শিক্ষার্থীরা।
জেলা শিক্ষা অফিস জানায়, জেলায় ৪ লাখ ২১ হাজার ২৫৮ জন প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য ২০ লাখ ৮১ হাজার ৯৪৪ টি বইয়ের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে ১৮ লাখ ৪২ হাজার ৪২০টি বই পাওয়া গেছে। শতকরা হিসেবে যা চাহিদার ৮৯ ভাগ।
.png)
এছাড়া ৪ লাখ ৪০ হাজার ১৮২ জন মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে বইয়ের চাহিদা ছিল ৫৮ লাখ ৬ হাজার ৯৪২টি। এরমধ্যে বই পাওয়া গেছে ৩৫ লাখের উপরে। যা শতকরা হিসেবে প্রায় ৬০ ভাগ।
এরপরও বছরের প্রথম দিনেই নতুন বই পেয়ে খুশি শিক্ষার্থীরা। নতুন বই তাদের পড়ালেখার প্রতি আরো মনোযোগী করবে বলেও জানিয়েছে ঐ শিশু শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১২টি উপজেলার মধ্যে ৯টি উপেজলায় শতভাগ বই পাওয়া গেছে। আর ৩টি উপজেলায় ৫০ ভাগ বই পাওয়া গেছে। বাকি বইগুলো এ সপ্তাহের মধ্যে পাওয়া যাবে। প্রায় প্রতিটি স্কুলেই বই বিতরণ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিধি মেনে শনিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে শহরের মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গণি।
বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শরিফুল ইসলাম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ প্রমুখ।
এরআগে শহরের কালেক্টরেট প্রাথমিক বিদ্যালয়েও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই বিতরণ করা হয়।