বৃহস্পতিবার শিবগঞ্জ থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। আটককৃত আইয়ুব আলী কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারি থানার শৌলমারী গ্রামের মৃত আব্দুল কাদের প্রামানিকের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ বইগুলো বিক্রির জন্য সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া যাওয়া হচ্ছে। এরপর ঘটনাস্থলে গিয়ে ১২ বস্তা বইসহ আইয়ুবকে আটক করে। এ সময় বস্তার ভেতরে সপ্তম শ্রেণির বিভিন্ন বিষয়ের ২৪০০ বই পাওয়া গেছে। এছাড়া তার কাছে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের বুকিং শ্লিপ পাওয়া গেছে। যেখানে প্রেরকের জায়গায় আইয়ুব এবং প্রাপক রতন বাংলা বাজার ও তার মোবাইল নম্বর দেওয়া আছে। বুকিং শ্লিপ ছাড়াও আইয়ুবের কাছে চালানের দুটি পাতা পাওয়া গেছে। যেখানে অনুপম প্রিন্টার্স লিমিটেড মোঘল নগর থেকে বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম শহিদুল ইসলাম ও সোনাতলা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আহসান হাবীবের নামে চালান দেখানো হয়েছে।
.png)
এ বিষয়ে সোনাতলা উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আহসান হাবিব বলেন, আমাদের কাছে পাঠানো বই বুঝে পেয়েছি এবং সেগুলো বিতরণের কাজ চলছে। উদ্ধারকৃত বইয়ের ব্যাপারে আমি জানি না।
এ ব্যাপারে জানতে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে সারিয়াকান্দি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম শহিদুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলে তিনি ফোন ধরেননি।
শিক্ষা কর্মকর্তাদের নামে চালান পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক(এসআই) রিপন মিঞা জানান, আটককৃত আইয়ুবের কাছে ঐ দুই শিক্ষা কর্মকর্তার নামে চালান দুটি পাওয়া যাওয়ায় চালানের বিষয়টি মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আটককৃত আইয়ুব বইগুলো কোথায় পেয়েছে এমন প্রশ্নের কোনো উত্তর দিতে পারেননি।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এসআই রিপন মিঞা বাদী হয়ে আইয়ুব আলী ছাড়াও অজ্ঞাত দুজনের নামে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেছেন। এছাড়া বৃহস্পতিবার আইয়ুব আলীকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।