অভিযুক্তরা হলেন ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও তার সহযোগী আবুল বাশার বাষন।
জানা যায়, উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের মকবুল হোসেন পৈতৃক সূত্রে শ্রীপুর কুমারিয়া মৌজার ৬৮ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি পান। এর পাশে তিনি আরো ৮১ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। ঐ জমি ও বসতবাড়ির মাঝ বরাবর সরকারি রাস্তা থাকায় তার জমির বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা।
.png)
একই গ্রামের নবীর উদ্দিন ওরফে নবী মেম্বারের ছেলে আবুল বাশার বাষন ও আবুল খায়ের খয়রাতের ছেলে ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন পরস্পর যোগসাজশে ২০১৯ সালে ঐ জমির ভুয়া নাম-খারিজ করে বাড়ি নির্মাণ করেন।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী মকবুল হোসেন উপজেলা ভূমি অফিসে লিখিত অভিযোগ দিলে সহকারী কমিশনারের (ভূমি) নির্দেশে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ঈমান আলী ও কানুনগো রওশন আলী তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পান এবং নাম-খারিজ আইনানুসারে বাতিল বলে প্রতিবেদন দেন। পরে স্থানীয় প্রশাসন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে দেয়।
এদিকে জবরদখলকারীরা আদালতে হয়রানিমূলক মামলা করেন এবং আদালত বিরোধপূর্ণ ঐ জমিতে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ও মকবুল হোসেনের পক্ষে ডিক্রি দেন।
ভুক্তভোগী মকবুল হোসেন বলেন, ২০০৯ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত আমার খাজনা-খারিজ পরিশোধ। অবৈধ দখলকারীরা জমি সংক্রান্ত আইনি লড়াইয়ে হেরে উল্টো থানায় ৩টি জিডি ও আদালতে ১টি হয়রানিমূলক মামলা করেন। এছাড়া তারা ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে না পাওয়ায় প্রভাবশালী কিছু চক্রের সহায়তায় ঐ জমিতে মাটি ফেলে পুনরায় দখলের অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়।
জামালপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল ইসলাম খান বলেন, বিরোধপূর্ণ জমিতে মাটি কাটা নিয়ে কারো কোনো অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।