ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (উপসচিব) মোয়াজ্জেম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি আরো বলেন, প্রথমে দুপুর ২টার দিকে নৌবাহিনীর জাহাজ বানৌজা টুনা ও বানৌজা পেঙ্গুইনে করে ৭০৫ জন রোহিঙ্গাকে নিয়ে আসা হয়। পরবর্তীতে সেখান থেকে তাদের ক্লাস্টারে নিয়ে যাওয়া হয়।
.png)
আরো পড়ুন >>> ৫৯ বছর বয়সে এসএসসি পাস
এর আগে ৮ দফায় কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে ১৯ হাজার ৬৬২ জন রোহিঙ্গাকে কক্সবাজার থেকে ভাসানচর আশ্রয়শিবিরে স্থানান্তর করা হয়। কক্সবাজারের আশ্রয়শিবিরের চাপ কমাতে অন্তত এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরের আশ্রয়শিবিরে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা আছে সরকারের।
২০২০ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রথম ধাপে আনুষ্ঠানিকভাবে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ভাসানচরে পৌঁছায় এক হাজার ৬৪২ জন রোহিঙ্গা। রোহিঙ্গাদের জন্য প্রস্তুতকৃত ৭, ৮, ৯ ও ১০ নম্বর ক্লাস্টারে তাদেরকে রাখা হয়। প্রথমধাপে ভাসানচরে আসা রোহিঙ্গাদের মধ্যে শিশু রয়েছে ৮১০ জন, পুরুষ ৩৬৮ জন, নারী ৪৬৪ জন।
আরো পড়ুন >>> বাংলাদেশ থেকে দেড় হাজার নার্স নেবে কুয়েত
উল্লেখ্য, নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ২০১৯ সালের ১৯ এপ্রিল হাতিয়ায় মেঘনা নদীর বুকে জেগে ওঠা ভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তরের জন্য সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৩ হাজার ৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ১৩ হাজার একর আয়তনের ওই জায়গায় ১ লাখ রোহিঙ্গা বসবাসের উপযোগী ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে।