বৃহস্পতিবার রাতে ঐ উপজেলার সিডি খান ইউনিয়নের নতুন চরদৌলত খান গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার সকালে ঐ গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
আরো পড়ুন: পছন্দের রোগীর সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হতেন মাদক নিরাময় কেন্দ্রের মালিক বাঁধন
.png)
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, প্রায় ৪ বছর আগে নতুন চরদৌলত খান গ্রামের মোনাব্বর খানের ছেলে মো. হাসান খানের সঙ্গে একই গ্রামের কৃষক কামাল ব্যাপারীর মেয়ে খাদিজা বেগমের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় হাসানকে যৌতুক হিসেবে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা দেয় তার পরিবার। এর কিছুদিন পর থেকেই পুনরায় যৌতুকের জন্য খাদিজাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করছিল হাসান ও তার পরিবারের সদস্যরা। তাদের নির্যাতন সইতে না পেরে কয়েকদিন আগে তিনি বাবার বাড়িতে যান।
নিহতের পরিবার জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় খাদিজাকে ফোন করে যৌতুকের টাকা নিয়ে তার বাড়িতে যেতে বলে হাসান খান। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তর্ক হয়। এরই জেরে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে খাদিজা। এ ঘটনা জানার পর থেকেই স্বামী হাসান ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক।
আরো পড়ুন: রাত কাটানোর পর হত্যা করতেন রানী, কারো পছন্দ বান্ধবীর প্রেমিক
খাদিজা বেগমের বাবা কামাল ব্যাপারী বলেন, আমার মেয়েকে টাকার জন্য তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতো। তারাই আমার মেয়েকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করেছে। আমি জামাই ও তার পরিবারের সবার বিরুদ্ধে মামলা করব।
কালকিনি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. নাসিরউদ্দিন বলেন, আমরা ঐ গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর সদহ হাসপাতালে পাঠিয়েছি। ময়নাৎদন্তের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। নিহতের পরিবারকে মামলার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।
আরো পড়ুন: আপেলের পাঁচ ব্যাংক কার্ডে ‘৫ কোটি’ টাকা, খরচ ‘গার্লফ্রেন্ডদের’ পেছনে