মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এ রায় দেন।
জানা গেছে, মা-বাবা চাকরির সুবাদে ঢাকায় থাকায় ৫ বছরের কন্যাশিশু নানীর কাছে থাকতো। শিশুকে পার্শ্ববর্তী জামে মসজিদে ইসলামিক ফাইন্ডেশন পরিচালিত মসজিদভিত্তিক শিশু শিক্ষালয়ে ভর্তি করা হয়।
.png)
২০১৯ সালের ২ অক্টোবর সকালে শিক্ষালয়ের নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক মনিরুল ইসলাম সব ছাত্রছাত্রীদেরকে ছুটি দিয়ে ঐ শিশুকে মসজিদের ভেতর ধর্ষণ করে। এরপর শিশুটি বাড়ি ফিরে গেলে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পরের দিন শিশুর নানি বাদী হয়ে ভাঙ্গারগ্রাম এলাকার শুক্কুর আলীর ছেলে মনিরুল ইসলামকে (৪২) আসামি করে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
মঙ্গলবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম আসামি মনিরুল ইসলামের উপস্থিতিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তাকে ৮ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আকরাম হোসেন ও আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল আমিন শামীম।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আকরাম হোসেন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।