এ ব্যাপারে ইমরানের বাবা আব্দুল হালিম মোল্যা কালের কণ্ঠকে বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় ইনামুল সরদার তার জামাই ইমরানকে ফোন করে বাড়িতে আসতে বলেন। এ সময় ইমরান আমার অনুমতি নিয়ে চেঙ্গুটিয়ায় তার সাবেক শ্বশুরের বাড়িতে চলে যায়। রাতে ফিরে এসে ইমরান জানায়, তার সাবেক শ্বশুর ও স্ত্রী সালমা অপমান করে তাকে তাড়িয়ে দিয়েছে। অপমান সইতে না পেরে আমার ছেলে বাড়ি ফিরে বিষপান করে। মধ্যরাতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থার তার মৃত্যু হয়।
আরো পড়ুন: তাইগ্রেতে ফের বিমান হামলা, নিহত ১৭
.png)
তিনি আরো বলেন, সাত বছর পূর্বে ইমরানের সঙ্গে চেঙ্গুটিয়া গ্রামের ইনামুল সরদারের মেয়ে সালমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর একটি ছেলে জন্মগ্রহণ করে। নাম রাখা হয় ইফাত। বর্তমানে ইফাতের বয়স পাঁচ বছর। ইফাতের জন্মের পর সালমার বেপরোয়া চলাফেরার কারণের ছয় মাস পূর্বে ইমরান ও সালমার ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। ইফাতকে রেখে সালমা তার বাবার বাড়িতে চলে যায়। বাড়ি ফেরার পর থেকে বিভিন্ন সময় মোবাইল ফোনে ইমরানের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং ঘরে ফিরে আসার প্রলোভন দেখিয়ে অনেক টাকা হাতিয়ে নেয়। ওরা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে।
সালমার চাচা মফিজ সরদার মুঠোফোনে বলেন, আমার ভাই ইনামুল সরদার ও তার মেয়ে সালমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ সত্য নয়।' অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম শামীম হাসান জানান, অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।