ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

প্রেমিক বিয়েতে রাজি না হওয়ায় নারী কনস্টেবলের আত্মহত্যা

বগুড়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০০:৪৪, ১৩ জানুয়ারি ২০২২
প্রেমিক বিয়েতে রাজি না হওয়ায় নারী কনস্টেবলের আত্মহত্যা
ফাইল ছবি

বগুড়ার শেরপুরে ছুটিতে বাড়ি এসে পুলিশের এক নারী কনস্টেবল বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

ওই নারী কনস্টেবলের নাম রহিমা খাতুন (২০)। তিনি উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের চন্ডেশ্বর গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে। কক্সবাজারের উখিয়া ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন তিনি।

পরিবার সূত্র জানায়, সেখানে কর্মরত একই ব্যাটালিয়নের পুলিশ কনস্টেবল হৃদয় হাসানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে রহিমার। প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও বিয়েতে রাজি ছিলেন না কনস্টেবল হৃদয় হাসান। তাই আত্মহত্যার পথ বেছে নেন রহিমা খাতুন।

Advertisement

নারী কনস্টেবল রহিমা খাতুনের চাচা রুবেল আহমেদের ভাষ্যমতে, চার-পাঁচদিন আগে ছুটি নিয়ে বাড়ি আসেন রহিমা খাতুন। এরই মধ্যে ফোনে প্রেমিক হৃদয় হাসানকে বিয়ের জন্য চাপ দেন তিনি। কিন্তু বিয়েতে রাজি ছিলেন না হৃদয়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ফোনে কথা কাটাকাটি হয়। রহিমা খাতুন বিষয়টি পরিবারের সবাইকে অবগত করেন। এরপর তার বাবা-মা অন্য জায়গায় তাকে বিয়ে দেওয়ার কথা বলেন। এতে অভিমান করে আজ সকাল ১০টার দিকে পরিবারের কাউকে কিছু না জানিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান রহিমা।

একপর্যায়ে উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের হাতিগাড়া এলাকার স্যাটকম এগ্রো পার্কে (সাবেক সাউদিয়া পার্ক) গিয়ে বিষপান করেন তিনি। পার্কের মধ্যে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে ঘুরতে যাওয়া লোকজন উদ্ধার করে তাকে শেরপুর হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে বগুড়ায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রহিমা খাতুন।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, ওই নারী কনস্টেবলের মরদেহ বগুড়ায় শজিমেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তিনি আরো বলেন, তদন্তের পরই কেবল জানা যাবে আত্মহত্যার আসল রহস্য। এ ঘটনায় বগুড়া সদর থানা পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!