দুই স্কুলছাত্রীর মধ্যে শারমিন আক্তার মনোহরপুর গ্রামের মোহাম্মদ হোসেনের মেয়ে, সে স্থানীয় চণ্ডিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। আর ফাহিমা আক্তার বেজুড়া দক্ষিণ পাড়া গ্রামের মৃত সেকান্দর আলীর মেয়ে। সেও স্থানীয় শেখ মুজিব উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০ম শ্রেণিতে পড়তো।
আরো পড়ুন: সুইসাইড নোটে ‘রাজ্জাক নিরাশ করেছে’ লিখে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা
.png)
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে শারমিন তার বাড়ির পাশে একটি কাঁঠালগাছে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। খবর পেয়ে পরদিন সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
একই রাতে উপজেলার বেজুড়া দক্ষিণ পাড়া গ্রামে ফাহিমা তার ঘরের জানালার গ্রিলের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। বিষয়টি টের পেয়ে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
পৃথক দুই আত্মহত্যার ঘটনায় থানায় দুটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।