ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় একজনের আমৃত্যু ও ২ জনের যাবজ্জীবন 

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি  
প্রকাশিত: ১৪:৪৩, ১৮ জানুয়ারি ২০২২
কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় একজনের আমৃত্যু ও ২ জনের যাবজ্জীবন 
কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় একজনের আমৃত্যু ও ২ জনের যাবজ্জীবন।  ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে শহিদুল ইসলাম নামে এক যুবককে গলা কেটে হত্যার দায়ে দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক আসামিকে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

মঙ্গলবার দুপুরের দিকে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এ রায় দেন। 

আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সালাম মোল্লা কুমারখালী উপজেলার কালিকাতলা এলাকার মৃত মুনছের মোল্লার ছেলে। এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন কুমারখালী উপজেলার শানপুকুরিয়া এলাকার আমির হামজার ছেলে সাইফুল ইসলাম ও কালিকাতলা এলাকার হারুনার রশিদ হারুর ছেলে রেজাউল জোয়ার্দার কালু। 

Advertisement

রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পরপরই দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।  

আরো পড়ুন >>> ‘আমি শাওনকে জোর করে এনেছি, আব্বু-আম্মু তোমরা আমাকে খুঁইজো না’

জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৩ মে রাতে শহিদুল ইসলাম বাড়ি থেকে পাশের গ্রাম দুধকুমড়া খাল বাজারে যান। এরপর থেকে বাড়ির লোকজন তাকে খুঁজে পায় নি। পরে ২৮ মে সকাল ছয়টার দিকে কালিতলা এলাকায় একটি ডোবায় তার গলাকাটা লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরিবারের লোকজন লাশ শনাক্ত করেন। পরে কুমারখালী থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। সেদিন নিহত শহিদুল ইসলামের বাবা মুনছের আলী বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। 

মামলার তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১৬ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে ১৮ জানুয়ারি রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। এ মামলায় সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে মঙ্গলবার আদালত এ রায় দেন। 

আরো পড়ুন >>> নারীকে প্রাইভেটকারে তুলে নির্জনে নিয়ে করেন সর্বনাশ

এদিকে নিহত শহিদুল ইসলামের বাবা মুনছের আলী রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, আমার ছেলে শহিদুল ইসলামকে নির্মম নির্যাতন করে গলা কেটে হত্যা করে আসামিরা। ১১ বছর  আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষে আসামিদেরকে শাস্তি দেয়া রায়ে আমরা খুবই খুশি। তবে তাদের ফাঁসি হলে আমরা আরো বেশি খুশি হতাম।

আদালতের পিপি অনুপ কুমার নন্দী বলেন, হত্যা মামলায় দোষী প্রমাণিত হওয়ায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং একজনের আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার পরপরই দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।  

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!